Wednesday, August 17, 2011
Thursday, June 2, 2011
লোকনাথ বাবার বাণী-০৭
৬১। মন যা বলে শোন, কিন্তু আত্মবিচার ছেড়ো না। কারণ মনের মতন প্রতারক আর কেউ নেই। মহাপুরুষদের বাক্য, শাস্ত্র বাক্যে শ্রদ্ধাবান না হলে প্রকৃত আত্মবিচার সম্ভব নয়।
৬২। আত্ম-বিশ্লেষণের ধারাটিকে সদাজাগ্রত রাখতে না পারলে, কামগন্ধহীন শুদ্ধ মনের জগতে প্রবেশ করা যায় না। কাম কলুষিত বিক্ষিপ্ত চিত্তে ধ্যান বা সমাধিও সম্ভব নয়।
৬৩। ক্রোধ ভাল, কিন্তু ক্রোধান্ধ হওয়া ভাল নয়।
Sunday, May 29, 2011
বঙ্কিমচন্দ্র–রবীন্দ্রনাথ ধর্মতর্ক
[বঙ্কিমচন্দ্র এবং রবীন্দ্রনাথ–উভয়েরই ধর্মীয় তৎপরতা ছিল তৎকালীন কোলকাতায়। হিন্দু ধর্ম নিয়ে বঙ্কিমচন্দ্রের কতগুলো প্রস্তাব ছিল এবং সেগুলো তিনি পত্রিকায় (নবজীবন এবং প্রচার) প্রবন্ধ লিখে এবং বই প্রকাশ করে প্রচার করতেন। আর রবীন্দ্রনাথ ছিলেন ব্রাহ্ম। ব্রাহ্ম ধর্মের মুখপত্র তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা’র একজন সম্পাদক ছিলেন রবীন্দ্রনাথ। এছাড়া তিনি ‘ভারতী’ সম্পাদনা করেছেন।
এই চারটি পত্রিকায় উভয়ে নিজ নিজ ধর্মমতের পক্ষে লিখেছেন।বঙ্কিমচন্দ্রের জবানিতে জানা যায়, রবীন্দ্রনাথ একটি বক্তৃতা দিয়েছিলেন যার লক্ষ্য ছিল বঙ্কিমচন্দ্র, পরে এটি বাংলা ১২৯১ সালের অগ্রহায়ণ সংখ্যায় প্রকাশিত হয় ‘একটি পুরাতন কথা’ শিরোনামে। এর জবাবে বঙ্কিমচন্দ্র ‘প্রচার’ ১২৯১ অগ্রহায়ণ সংখ্যায় একটি প্রবন্ধ লেখেন ‘আদি ব্রাহ্ম সমাজ ও নব হিন্দু সম্প্রদায়’ নামে। রবীন্দ্রনাথ জবাব দেন ‘ভারতী’র পরবর্তী সংখ্যায় (পৌষ, ১২৯১) ‘কৈফিয়ত’ লিখে। বঙ্কিমচন্দ্র আর জবাব দেননি। ‘আদি ব্রাহ্ম সমাজ ও নব হিন্দু সম্প্রদায়’-এ আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন এ নিয়ে আর লিখবেন না। ফলে কোন প্রকাশিত উত্তর নেই। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘জীবনস্মৃতি’তে এই প্রসঙ্গের উল্লেখ করেছেন।








